সংগ্রামে অবশ্যই জয়ী হবো: ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সংগ্রামে অবশ্যই জয়ী হবো: ফখরুল

গণতন্ত্রের সংগ্রামে অবশ্যই জয়ী হবো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্য বিধি মেনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দলের প্রতিষ্ঠাতার কবরে পুস্পমাল্য অর্পন করে প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তারা নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

পরে দুপুর মহানগর দক্ষিণ ও উত্তর, যুব দল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, ছাত্র দল, তাঁতী দল, মৎস্যজীবী দলসহ অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে পুস্পমাল্য অর্পন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের এই দিনটি বর্তমান বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকে দেশ একইভাবে ১৯৭৫ এর পূর্বে যে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিলো, জনগণের অধিকারকে হরণ করা হয়েছিলো। আজকে আবার ঠিক একই কায়দায় বাংলাদেশের জনগণের অধিকারকে হরন করে নিয়ে গণতন্ত্রকে ধবংস করে দিয়ে আওয়ামী লীগ আজকে জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে।

‘সেজন্য আমরা আজকে শপথ নিয়েছি যে, গণতন্ত্রকে উদ্ধার করবো, মিথ্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করব এবং এই গণতন্ত্রের সংগ্রামকে অবশ্যই জয়ী করবো’

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমেই বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হয়েছিলো। যে জাতীয় আন্তর্জাতিক কারণে ৩ নভেম্বরে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দি করা হয়েছিলো, সেই চক্রান্তকে ব্যর্থ করে দিয়ে এদেশের দেশপ্রেমিক সিপাহী এবং জনগণ তারা ৭ নভেম্বরে জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে দেশে সত্যিকার অর্থে স্বাধীনতাকে সুসংহত করেন। একইসঙ্গে গণতন্ত্রের যে পথ সেই পথের নতুন সুচনা করেন।

ফখরুল বলেন, ৭ নভেম্বর থেকেই এদেশে একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠা করবার সেই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিলো এবং তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান।

সংগৃহিত বাংলাদেশ জার্নাল