সপ্তম ধাপের ইউনিয়ন ভোটের মাঠে সশস্ত্র লড়াই

সপ্তম ধাপের ইউনিয়ন ভোটের মাঠে সশস্ত্র লড়াই

সপ্তম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভোট নিয়ে গতকাল বিভিন্ন স্থানে সশস্ত্র লড়াই, হামলা, ভাঙচুর ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এ দিন গুলিবর্ষণ, সংঘর্ষ, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর হয়েছে। এ সময় শিশুসহ দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঠাকুরগাঁওয়ে ককটেল হামলা, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে হামলা চালিয়ে ব্যালট পেপার ছিনতাই, জয়পুরহাটে সিল মারা ব্যালট পেপার উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে।

চট্টগ্রাম : সাতকানিয়া উপজেলায় গতকাল সপ্তম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে সহিংসতার মধ্য দিয়ে। ভোট গ্রহণের সময় থেকেই নৌকা-স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় প্রতিটি ইউনিয়নে সংঘর্ষ, মারামারি, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, গুলিবর্ষণ, অস্ত্রের মহড়া, ভাঙচুর ও ব্যালট চুরির ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের কারণে পৃথক তিনটি ইউনিয়নের চারটি ভোট কেন্দ্র স্থগিত রাখা হয়েছে। তাছাড়া দুটি ইউপিতে শিশুসহ দুজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি সংঘর্ষে প্রায় শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারির মধ্যেই এসব ঘটে। চট্টগ্রাম জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, সহিংসতার কারণে উপজেলার খাগরিয়ায় দুটি, কাঞ্চনায় একটি এবং কালিয়াইশ ইউপির একটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। আইনগতভাবে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাতকানিয়া উপজেলার ১৬টি ইউপিতে নির্বাচনী সহিংসতায় ১১ জন আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে দায়িত্বরত জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, সাতকানিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গুলিবিদ্ধ, ছুরিকাঘাত ও লাঠির আঘাতে আহত ১১ জনকে দুপুর পৌনে ২টা পর্যন্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাতকানিয়া উপজেলায় নির্বাচন চলাকালীন সোনাকানিয়া, নলুয়া, খাগরিয়া ইউপির কয়েকটি ভোট কেন্দ্র দখলকে কেন্দ্র করে নৌকা-স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খাগরিয়া ইউপির স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দীনের সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আকতার হোসেনের সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এক পর্যায়ে কেন্দ্র দখলে নিতে উভয় পক্ষে গুলি বিনিময় হয়। সোনাকানিয়া ইউনিয়নে ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর কেন্দ্রে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে  নৌকা প্রতীকে সিলসহ ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তাহের। এদিকে সাতকানিয়ার নলুয়া ও বাজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পক্ষে-বিপক্ষে প্রার্থীদের মধ্যে সংঘাতের সময় শিশুসহ দুজন নিহত হয়েছেন। নলুয়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মরফলা বোর্ড কেন্দ্রের বাইরে ও বাজালিয়ার ২ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- তাসিফ (১২) ও আবদুর শুক্কুর (৩৫)। তাসিফের বাবার নাম জসিম উদ্দিন। সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। আবদুর শুক্কুর স্থানীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী তাপস কান্তি দত্তের অনুসারী। তাছাড়া আহত হয়েছেন অনেকেই। তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ভর্তি হয়েছেন শারফিন (১৮), প্রিয়তোষ তালুকদার (৪৬), মো. আরিফ (১৮), আশরাফ (২১), আকাশ দাশ (১৮) ও মো. নাজিম (২৩)। তারা সবাই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাসিফের চাচা মিজানুর রহমান বলেন, কেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী লিয়াকত আলীর সমর্থকদের সঙ্গে বিদ্রোহী মিজানুর রহমানের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এক পক্ষ তাসিফকে কুপিয়ে জখম করে। পরে তাকে সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাসিফের চাচা মিজানুর রহমান ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য প্রার্থী। একইভাবে বাজালিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী তাপস কান্তি দত্তের সমর্থকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ আনারস প্রতীকের প্রার্থী মো. শহিদুল্লাহ চৌধুরীর সমর্থকদের সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে শুক্কুর গুলিবিদ্ধ হলে তাকে স্থানীয়  কেরানীহাট মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদিকে সাতকানিয়ার খাগরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। দুই বিবদমান চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগের আকতার হোসেন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দিনের অনুসারীদের মধ্যে এ অবস্থা চলে। এ ঘটনায় খাগরিয়া ইউনিয়নের দুটি ভোট কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এগুলো হলো- খাগরিয়া গনিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও খাগরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্র। এই ইউপিতে অস্ত্রের মহড়াও চলে।

নোয়াখালী : কোম্পানীগঞ্জে ৮টি ইউনিয়নে বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে গতকাল নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। তবে দুপুর আড়াইটার দিকে চরপার্বতী ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১ নম্বর কেন্দ্রটি কিছুক্ষণ বন্ধ রাখা হয়। পরে ওই ব্যালট পেপার বাতিল করে পুনরায় কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। অন্যদিকে সিরাজপুর ইউনিয়নে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এবং চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর চরকাঁকড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এক ইউপি মেম্বার প্রার্থীর মা সত্তর বছর বয়সী অভিযোগ করেন তিনি ভোট দেওয়ার জন্য বুথে গেলে জানতে পারেন তার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে।

ঠাকুরগাঁও : সপ্তম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গতকাল ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সেনুয়া চৌধুীরহাট উচ্চবিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র দখলের চেষ্টায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এ ঘটনায় মতি রায় নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ব্যালট পেপার ও সিল নিয়ে পালিয়ে যায় ছাত্রলীগের কর্মীরা। পরে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের ওপর চড়াও হয় ছাত্রলীগকর্মীরা। বিজিবি ও টহল পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

কুমিল্লা : দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের এক প্রার্থীর সহযোগীকে ৩৯ হাজার ৫০০ টাকাসহ আটক করা হয়েছে। এ সময় তাকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ ঘোষ। তিনি জানান, এক প্রার্থীর সঙ্গীকে ৩৯ হাজার ৫০০ টাকাসহ ফতেহাবাদ ইউনিয়নের খলিলপুর কেন্দ্রের কাছাকাছি থেকে আটক করা হয়। ওই ব্যক্তির নাম মো. শাহজাহান। এ সময় তার একটি অবৈধ সিএনজি অটোরিকশা জব্দ করা হয়। আমরা নিশ্চিত হয়েছি তিনি টাকা দিয়ে কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। এদিকে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নে গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে চার যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ ছাড়া বুড়িচং উপজেলার সদর ইউনিয়নের হরিপুর আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে চেয়ারম্যান পদের ভোটের ব্যালট পেপার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জয়পুরহাট : পাঁচবিবি উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ চলাকালে গতকাল একটি কেন্দ্রে মেম্বার প্রার্থীর আপেল প্রতীকে সিল মারা ১০০ পাতার ব্যালট পেপার উদ্ধার করেন ভোটাররা। এ ঘটনার প্রতিবাদে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে ওই মেম্বার প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করার মৌখিক আশ্বাসের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তবে এ সিল মারা ১০০ পাতার ব্যালট পেপার উদ্ধারের বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আতিকুর রহমান।

জানা গেছে, কুসুম্বা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সালাইপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছিল। বেলা ৩টার দিকে ওই ওয়ার্ডের ৮ নম্বর বুথে ভোটার জাহাঙ্গীর আলম সুজন ভোট দিতে গিয়ে সাধারণ সদস্যদের ১০০ পাতার ব্যালটে মেম্বার প্রার্থী ময়নুল হাসানের আপেল মার্কায় সিল দেওয়া দেখতে পান। পরে তিনি ওই বুথের পোলিং অফিসার গোলাম রব্বানীর কাছ থেকে ১০০ পাতার ব্যালট বই কেড়ে নিয়ে কেন্দ্রের বাইরে আসেন।

বগুড়া : কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য (মেম্বার) পদে নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ উঠেছে এক প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে। গত রবিবার বিকালে ধুনট উপজেলা মডেল প্রেস ক্লাবে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন পরাজিত প্রার্থী সোনামুখী ইউনিয়নের স্থলবাড়ী ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মজনু মিয়া। তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওই প্রিসাইডিং অফিসারের শাস্তি এবং ভোট পুনঃগণনার দাবি জানান।

সহিংসতায় ইসির সরাসরি দায় নেই : ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ভালো হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে ভোটাররা কেন্দ্রমুখী হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ। গতকাল সপ্তম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন শেষে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের এমন কথা জানান তিনি। অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, ১৩৬টি ইউপিতে ভোট হয়েছে। এর মধ্যে সাতটিতে নির্বাচন হয়েছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। ব্যালট পেপারে বিকাল সাড়ে ৫টার তথ্যানুযায়ী ভোট পড়েছে ৬৫ শতাংশের মতো। আর ইভিএমে পড়েছে ৬১ দশমিক ৫৩ শতাংশ। জনগণ ভোটমুখী হয়েছে, এটা একটি ভালো দিক। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অশোক কুমার বলেন, দুজন ব্যক্তি নির্বাচনী সহিংসতায় মারা গেছেন। তারা কেন্দ্রের বাইরে স্থানীয় গোষ্ঠীর মধ্যে মারামারিতে নিহত হন। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। এ সময় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ূন কবীর, ইসির যুগ্মসচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান ও যুগ্মসচিব ও পরিচালক (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

বিদ্রোহীদের জয় : সপ্তম ধাপে গতকাল অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে কয়েকটি স্থানের ফলাফল জানা গেছে।

সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নেই চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীদের ভরাডুবি ঘটেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, উপজেলার বালিজুরি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আনারস প্রতীকের প্রার্থী আজাদ হোসেন, উত্তর বড়দল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মাসুক মিয়া, দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী ইউনুছ আলী, তাহিরপুর সদর ইউনিয়নে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী জুনাব আলী, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ঢোল প্রতীকের প্রার্থী আলী আহমদ মুরাদ, উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নে উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি চশমা প্রতীকের প্রার্থী আলী হায়দার।

পটুয়াখালী : বেসরকারি ফলাফলে বাউফল উপজেলার চারটি ইউনিয়নের তিনটিতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। একটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে বাউফল সদর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা প্রতীকে মো. জাহিদুল ইসলাম, নাজিরপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে আমীর হোসেন ব্যাপারী, মদনপুরা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান নৌকা প্রতীকে মো. গোলাম মস্তফা জয়লাভ করেছেন। এর আগে দাসপাড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের এএনএম জাহাঙ্গীর হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

কক্সবাজার : মহেশখালী  উপজেলার  ছোট  মহেশখালী  ইউপি নির্বাচনে রিয়ান সিকদার মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ৩ হাজার ৯৪১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। গতকাল রাত ৮টায় বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দুটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একজন প্রার্থী ও স্বতন্ত্র একজন প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ী প্রার্থীরা হলেন ৪ নম্বর বড়গাঁও ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী মো. ফয়জুল রহমান, ২২ নম্বর সেনুয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরসাইকেল মার্কা নিয়ে মতিয়র রহমান।