সাংবাদিকসহ ফিলিস্তিনিদের গণগ্রেপ্তার চলছেই

সংগ্রহীত

সাংবাদিকসহ ফিলিস্তিনিদের গণগ্রেপ্তার চলছেই

ফিলিস্তিনের হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে আপাতত যুদ্ধবিরতি হলেও সীমান্ত বন্ধ রেখে গাজাবাসীর ওপর আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে তেল আবিব। সরাসরি বোমা দিয়ে না হলেও সীমান্ত বন্ধ রেখে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের দমানোর চেষ্টায় ব্যস্ত ইসরায়েল।

নামমাত্র যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে দুই দিনে নতুন করে কমপক্ষে ২৫০ ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েল। 

দেশটির পুলিশ বৃহস্পতিবার (২৭ মে) শেখ জাররাহ এলাকা থেকে এক নারী ফিলিস্তিনি সাংবাদিকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। এ ছাড়া ওয়াদি আরা ও কাফর মান্দায় হানা দেয় ইসরায়েলি পুলিশ। সেখান থেকেও প্রায় ১২ জন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানায় সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ আরাব।

এ ছাড়া নেগেভ এবং উম্ম আল-ফাহমেও গ্রেপ্তারি অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ। বেশির ভাগ যুবককে লোদ শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। ওই শহর থেকে কমপক্ষে ১৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৭ মে) রাতে ইসরায়েলের সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ তদন্ত করতে কমিটি গঠনে সম্মত হয়। ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষ থেকে প্রস্তাবটি তোলা হয়। জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের প্রস্তাবের পক্ষে ২৪ ভোট এবং বিপক্ষে ৯ ভোট পড়ে। আর ভোটদানে বিরত থাকে ১৯টি দেশ।

ওই প্রস্তাব পাশকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বলেন, গাজায় হামলার ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠনের লক্ষ্যে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ যে প্রস্তাব পাস করেছে তা ‘লজ্জাজনক’। তিনি গাজায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর আগ্রাসনকে ‌‘বৈধ ও আইনসম্মত’ বলেও দাবি করেছেন।