সিনহা হত্যা মামলায় দ্বিতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

সিনহা হত্যা মামলায় দ্বিতীয় দফা সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় দ্বিতীয় দফায় টানা চারদিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে রোববার এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে আগামী বুধবার পর্যন্ত।

এর আগে গত ২৩ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা তিনদিনে দুইজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছিল।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে মামলার ৩ নম্বর সাক্ষীর সাক্ষ্য শুরু হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণকে কেন্দ্র করে সকাল পৌনে ১০টায় কঠোর নিরাপত্তায় মামলার ১৫ আসামিকে আদালকে আনা হয়।

কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম জানান, সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালত ১৫ জনকে সমন জারি করেছিলেন। প্রথম দফায় মামলার বাদী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস ও একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। রোববার থেকে সমন জারি করা অন্য সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে।

গত বছরের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফের বাহারছড়ার এপিবিএন চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা রাশেদ খান।

এ ঘটনার ৫দিন পর ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের তৎকালীন ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি এবং টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। এরপর প্রধান আসামি লিয়াকত আলী ও ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর এ হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলাম।

মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাস ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া ১২ জন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে মামলার ১৫ আসামি কারাগারে রয়েছেন।