সিরাজগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে অস্ত্রধারীর হামলা, যা বলছে আওয়ামী লীগ

সিরাজগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে অস্ত্রধারীর হামলা, যা বলছে আওয়ামী লীগ
সিরাজগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে হামলার ঘটনায় অস্ত্রধারীরা বিএনপির কর্মী বলে দাবি করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

রোববার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগকে দায়ী করে বিএনপির অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

গত ৩০ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপি সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অস্ত্রও প্রর্দশন করা হয়।

এ ঘটনায় রোববার ঢাকায় কেন্দ্রীয় বিএনপি’র পক্ষ থেকে সংঘর্ষের সময় অস্ত্রধারীরা আওয়ামী লীগের কর্মী দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এর প্রতিবাদ জানিয়ে এদিন সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে জেলা আওয়ামী লীগ। এসময় জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কেএম হোসেন আলী হাসান অভিযোগ করে বলেন, জেলা বিএনপি সমাবেশেকে কেন্দ্র করে বিএনপি আগে থেকেই শহরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির পরিকল্পনা করেছিল। যার অংশ হিসেবে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষে অস্ত্রধারীরা আওয়ামী লীগের নয়, বিএনপির কর্মী বলেও দাবি করেন তিনি।

সিরাজগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, অস্ত্রধারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

সিরাজগঞ্জে বিএনপির সমাবেশে সংঘর্ষের ঘটনায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও পুলিশের পক্ষ থেকে আলাদা ছয়টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে গুলশানের চেয়ারপারসন কার্যালয়ে বিএনপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য টুকু বলেন, ৩০ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের অস্ত্রধারীদের হামলার বিষয়ে বারবার জানানো হলেও নির্বিকার ভূমিকা পালন করেছে প্রশাসন।

সমাবেশে হামলাকারী অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অস্ত্রের মহড়া রাজনীতির জন্য কোনো শুভ লক্ষণ নয়। বিরোধী নেতাকর্মীদের দমনে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে বলেও দাবি করেন ফখরুল।