সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে জয়ের আশা জাগিয়েও পারল না ইতালি।

সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে জয়ের আশা জাগিয়েও পারল না ইতালি।

সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে জয়ের আশা জাগিয়েও পারল না ইতালি। ইতালির চেলসি মিডফিল্ডার জর্জেনিয়োর শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি মিসে কাতার বিশ্বকাপের অপেক্ষা বাড়ল ইতালির।

শুক্রবার (১২ নভেম্বর) রাতে নিজ মাঠ স্তাদিও অলিম্পিকোয় সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এ ড্রয়ের ফলে দু’দলেরই ঝুলে থাকল বিশ্বকাপের ভাগ্য। অন্যদিকে, হ্যারি কেইনের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে আলবেনিয়াকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ইংল্যান্ড। দারুণ এ জয়ে সরাসরি বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার পথে একধাপ এগিয়ে গেল ইংলিশরা।
ম্যাচের বয়স তখন ৮৮ মিনিট, সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। স্পট কিক উড়িয়ে মেরে তীরে এসে তরী ডোবালেন জর্জিনিয়ো। যেখানে জয়ের আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে, হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো ইতালিকে। শুধু তাই নয়, এতে দু’দলেরই ঝুলে থাকল বিশ্বকাপের ভাগ্য। অপেক্ষা এবার নাটকীয় শেষ রাউন্ডের।

অথচ ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। তবে একপর্যায়ে বলের দখল নিয়ে অ্যাটাকিং ফুটবল খেলে সুইজারল্যান্ড। ১১ মিনিটে লিড নেয় সুইসরা। বুলেট গতির শটে স্বাগতিক সমর্থকদের স্তব্ধ করে দেন সিলভান উইডমার

এ গোলের রেশ কাটতেই আর দুটি সুযোগ পায় সুইজারল্যান্ড। কিন্তু সেই সুযোগ নষ্ট করে বসেন জারদান শাকিরি।
তবে ৩৬ মিনিটে স্বস্তি ফেরে ইতালিয়ান শিবিরে। ইনসিনিয়ের ফ্রি কিক থেকে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন ডিফেন্ডার লরেন্সো।

বিরতির পর লিড বাড়াতে দুদলই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে খেলার গতি বাড়ায় ইতালি। যদিও স্বাগতিক রক্ষণ বাধায় আর সুবিধা করতে পারেনি চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ দিকে জর্জিনিয়োর পেনাল্টি মিসে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় মানচিনির দলকে।

আরেক ম্যাচে, লন্ডনে আলবেনিয়ার মুখোমুখি হয় ইংল্যান্ড। এদিন ওয়েম্বলির রাতটা যেন আলোকিত করল ইংলিশরা। প্রথমার্ধেই আধিপত্য বিস্তার করে আলবেনিয়ার বিপক্ষে রীতিমত গোল উৎসব করে গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ম্যাচের ৯ মিনিটে ম্যাগুয়েরের গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।

এরপর ১৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় হ্যারি কেইন। ১০ মিনিট পর আলবেনিয়ার জালে বল জড়ায় হেন্ডারসন। আক্রমণের ধার বাড়িয়ে ৩৩ মিনিটে দ্বিতীয় ও প্রথমার্ধের শেষ দিকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন কেইন। বিরতির পর আর গোল না হলে বড় জয় পায় ইংলিশরা। এদিকে, নিজেদের শেষ ম্যাচে সান ম্যারিনোর বিপক্ষে এক পয়েন্ট পেলেই কাতার বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়ে যাবে ইংল্যান্ডের।