সুফল পেয়েছি তবে লকডাউনই একমাত্র উপায় নয়: ​স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সংগ্রহীত

সুফল পেয়েছি তবে লকডাউনই একমাত্র উপায় নয়: ​স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চলমান লকডাউন প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, লকডাউনের বড় সুফল পেয়েছি। সংক্রমণ ২৪ থেকে ১৩-তে নেমে এসেছে। কিন্তু লকডাউন তো সব সময় হতে পারে না। মাস্ক পরা, হ্যান্ড স্যানিটাইজ করা, স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং অনুষ্ঠানে না যাওয়ার মতো দীর্ঘমেয়াদি উপায় মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, লকডাউনই একমাত্র উপায় নয়। লকডাউন দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ট্রান্সমিশন (সংক্রমণ) কমিয়েছে। তবে লকডাউনের নেতিবাচক দিকও আছে। এতে দারিদ্র্য ও সামাজিক অস্থিরতা বেড়ে যায়।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার ‘সেকেন্ড ওয়েভ (দ্বিতীয় ঢেউ)’ কীভাবে আসলো সেটা জানা উচিত। না হলে আমরা ‘থার্ড ওয়েভের’ দিকে যাবো।

তিনি বলেন, টিকা নেওয়ার পর আমরা স্বাস্থ্যবিধি মানলাম না। পর্যটনে গেলাম, বিয়ের অনুষ্ঠানে গেলাম। হাজার হাজার লোক বিদেশ থেকে আসা-যাওয়া করলো। তারা স্বাস্থ্যবিধি মানেনি। এজন্য করোনা বেড়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, আবারও ভুল করলে, ভুলের মাশুল দিতে হবে যেটা এখন দিচ্ছি। প্রতিদিন একশোর বেশি লোক মারা যাচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অন্যান্য দেশের ভুল থেকে আমরা শিক্ষা নিতে চাই। আমাদের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে যাতে ভবিষ্যতে ঠিকভাবে চলতে পারি।

ভারতের ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা তিন কোটি ভ্যাকসিনের অর্ডার দিয়েছিলাম। টাকা-পয়সাও দিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা সময়মতো ভ্যাকসিন পাচ্ছি না। এতে ভ্যাকসিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। টিকা পেতে স্থানীয় এজেন্ট বেক্সিমকো ফার্মা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বারবার অনুরোধ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। অল্প কয়েক দিনের মধ্যে হয়তো ভ্যাকসিন পাবো। পরিমাণটা অল্প কয়েক দিনের মধ্যে জানতে পারবো।

টিকার জন্য রাশিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, চীন পাঁচ লাখ টিকা দেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সারা বিশ্বেই টিকার সংকট রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের ১০টি ধনী রাষ্ট্র ৭০ ভাগ ভ্যাকসিন কিনে নিয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫০-৬০টি দেশ ভ্যাকসিনই পায়নি।