সোমবার থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ

সংগ্রহীত

সোমবার থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ

আগামী সোমবার থেকে পরবর্তী সাত দিন যাত্রীবাহী সব ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার শাহাদাত আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শ‌নিবার রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, লকডাউ‌নে পূ‌র্বের মতো সব যাত্রীবা‌হী ট্রেন চলাচল বন্ধ থা‌কবে। কো‌নো যাত্রীবা‌হী ট্রেন চলাচল কর‌বে না। ত‌বে মালবা‌হী ট্রেন চলাচল কর‌বে। বি‌শেষ প‌রি‌স্থি‌তিতে শুধুমাত্র ত্রাণ কিংবা যে কো‌নো দুর্যোগ মোকাবিলায় বি‌শেষ ট্রেন চালা‌নো হ‌বে। এ জন্য‌ বি‌শেষ ট্রেন প্রস্তুত রাখা হ‌বে।  

এরআগে করোনা সংক্রমণ রোধে সোমবার (০৫ এপ্রিল) থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে লকডাউনের ঘোষণা দেয় সরকার। শনিবার (০৩ এপ্রিল) সকালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নিজ বাসভবনে এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন। তবে এক সপ্তাহ নয়, লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

শনিবার (০৩ এপ্রিল) বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বলছি, আপাতত ৭ দিনের জন্য মানুষের মুভমেন্টটা বন্ধ করতে। তবে এতে যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসে তাহলে লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে। 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন,মানুষের চলাফেরা কমানেরা জন্য আমরা আপাতত এক সপ্তাহের জন্য লকডাউন দিচ্ছি। আমাদের জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান, ডিসি অফিস, ইউএনও অফিস, ফায়ার সার্ভিসের অফিস, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অফিস, সংবাদপত্র অফিস- এই ধরনের অফিস খোলা থাকবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, লকডাউনের মধ্যে শিল্পকারখানা খোলা থাকবে, সেখানে একাধিক শিফট করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে শ্রমিকরা কাজ করেন- সেটা নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে তো আবার গত বছরের মতো শ্রমিকদের বাড়ি যাওয়ার ঢল শুরু হয়ে যাবে।

সব ধরনের মার্কেট বন্ধ থাকবে জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, সরকারি ও বেসরকারি অফিস-আদালত বন্ধ থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মানুষের চলাচল যাতে একেবারে সীমিত করে ফেলা যায় আমরা সেই পদক্ষেপ নেব। কেউ অপ্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে পারবে না।