স্প্যানিশ ফ্লুর সঙ্গে করোনার চরিত্রের মিল: বিশেষজ্ঞের মত

স্প্যানিশ ফ্লুর সঙ্গে করোনার চরিত্রের মিল: বিশেষজ্ঞের মত

একদিকে যখন করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে বিশ্বে আতঙ্ক বাড়ছে। অন্যদিকে আশার আলো দেখাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেকেই বলছেন ওমিক্রনের এই ধাক্কা হতে পারে করোনা বিদায়ের সূচনা। বিশেষজ্ঞেরা উদাহরণও হাজির করছেন।

তাঁরা বলছেন, একশো বছর আগের স্প্যানিশ ফ্লুর বিদায়ের সঙ্গে করোনার চরিত্র বদলের মিল খুঁজে পাচ্ছেন তারা।

সময়ের ব্যবধানে পৃথিবীতে অসংখ্যবার মহামারী আঘাত হেনেছে, মানুষকে ভুগিয়েছে আবার সময়ের ব্যবধানে বিদায়ও নিয়েছে। ইতিহাসের ভয়ংকরতম মহামারী ছিল ১৯১৮ সালের স্প্যানিশ ফ্লু। রোগটি দ্বিতীয় ধাপে অনেক বেশি ভয়াবহরূপ ধারণ করেছিল। শুধু ভারত বর্ষেই মারা যায় প্রায় এক কোটি চল্লিশ লাখের মত মানুষ। ১৯২১ সালের দিকে এসে স্প্যানিশ ফ্লু এর ভয়াবহতা অনেকটা কমে গেলেও ফ্লু জনিত অসুস্থতা কয়েক দশক পর পরই ফিরে এসেছে নতুন রূপে। পরিণত হয় সাধারণ রোগে।

গবেষণা বলছে, ধরন বদলানোর কারণে ভাইরাস যত দুর্বল হবে, তত কম বিপদজনক৷ ওমিক্রনে নতুন আক্রান্তরা কম বয়সী। আক্রান্তদের গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকিও ডেল্টার চেয়ে অনেকটায় কম। বিশেষজ্ঞেরা স্প্যানিশ ফ্লুর বিদায়ের সঙ্গে করোনার চরিত্র বদলের মিল খুঁজে পাচ্ছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার  প্রধানও  আশা করছেন, ২০২২ সালে করোনাভাইরাসের মহামারী হার মানবে। সমীক্ষার দাবি, ওমিক্রন ভ্যারিয়্যান্টটি তার শক্তি খুইয়ে ক্রমশ এক সাধারণ সংক্রমণের চেহারা নেবে। কমবে মৃত্যুহারও। তবে পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব মহলই সতর্কতা অবলম্বনের কথাও জোর দিচ্ছেন।