হাড়হিম করা শীতে টানা ৬দিন ভেজা কাপড়ে স্বস্তিকা

সংগ্রহীত

হাড়হিম করা শীতে টানা ৬দিন ভেজা কাপড়ে স্বস্তিকা

চলে এসেছে শীতকাল। বইছে কনকনে উত্তুরে বাতাস। হাড়হিম করা এই শীতে সোয়েটার, জ্যাকেট ছাড়া বাইরে বের হওয়ায় দুষ্কর। আর এই কনকনে ঠান্ডায় কি-না টানা ছয়দিন ভেজা শাড়ি পরে রয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়!

শুনতে অবাক করার মতো হলেও অভিনেত্রী নিজেই টুইট করে এমনি জানিয়ে লিখেছেন, ‌‘আজ প্রচণ্ড ঠান্ডা, হাওয়া বইছে। তার মধ্যে আমি টানা ছয়দিন ধরে ভেজে কাপড়ে শুটিং করছি। অভিনেত্রী হওয়ার বিড়ম্বনা।’

স্বস্তিকার টুইট বলছে, পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের ‘মোহমায়া’ সিরিজে অভিনয় করতে গিয়ে আয়েস করে লেপের তলায় গুটিসুটি মেরে ঘুমের মোহ এবং মায়া, দুইই ত্যাগ করেছেন তিনি। চিত্রনাট্যের খাতিরে আপাতত তিনি ভেজা শাড়িতেই শুটিং করছেন।

স্বস্তিকার এই টুইটে মন্তব্য করেছেন পরিচালক সত্রাজিৎ সেন। তিনি লিখেছেন, ‘বরাবরই তোর ঠান্ডা নিয়ে বিশাল বাড়াবাড়ি। এমন কিছু ঠান্ডা নয়।’ জবাবে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘না, না, তুই ১৪ ঘণ্টা করে ভেজা জামা-কাপড় পরে ছয়দিন কাটা তারপর কফিতে চুমুক দিতে দিতে আলোচনা করব।’

সত্রাজিৎ সেন আবারো লিখেছেন, ‘আমি কি অভিনেতা নাকি, তুই অভিনেতা। তোর জন্য ভার্চুয়ালি উষ্ণ অভ্যর্থনা, আর গরম কফি পাঠালাম।’ স্বস্তিকা আবার লিখেছেন, ‘হ্যাঁ, অভিনেতারা তো রোবট।’

দেবালয় ভট্টাচার্যের ওয়েব সিরিজ ‘চরিত্রহীন ৩’-এর কাজ শেষে হতেই স্বস্তিকা ব্যস্ত ‘হইচই’ প্ল্যাটফর্মের আগামী সিরিজের কাজ নিয়ে। তারই ফাঁকে নিজের অবস্থা জানিয়ে রসিকতা করেছেন, ‘এটাই অভিনেতার জীবন।’ নতুন সিরিজ আবারো নারী-কাহিনি। যার অন্যতম চরিত্রে তিনি। তাঁর লুকের ছবিও শেয়ার করেছেন স্বস্তিকা। চরিত্রের দাবিতে অভিনেত্রীর পরনে খড়কে ডুরে তাঁতের শাড়ি। হাতে মোটা শাঁখা, পলা। পায়ে চওড়া করে আলতা। আঙুলে মোটা আঙট। ঘাড়ের কাছে হাতখোঁপা। কপালে সিকি সাইজের সিঁদুর টিপ। সব মিলিয়ে আরো এক বার স্বস্তিকা ঘরোয়া বাঙালি রমণী।

এই সিরিজের শ্যুটিংয়ে স্বস্তিকার সঙ্গে অভিনয় করতে দেখা গেছে আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী অনন্যা চট্টোপাধ্যায়কে। সেই ছবিও স্বস্তিকা শেয়ার করেছেন। ‘মোহমায়া’ দিয়ে প্রযোজনার দুনিয়ায় প্রথম পা রাখলেন চিত্রনাট্যকার সাহানা দত্ত। সংস্থার নাম ‘মিসিং স্ক্রিউ’। এর আগের এক টুইটে স্বস্তিকা আরো জানিয়েছেন, ‘মোহমায়া’ তাঁর আরো একটি স্বপ্ন পূরণ করেছে। দীর্ঘ দিন ধরে পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজের জন্য মুখিয়ে ছিলেন তিনি। অবশেষে সফল তিনি।