হুইপ শামসুল হক ও পুত্র শারুনের বিরুদ্ধে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে মুক্তিযোদ্ধা-জনতার মিছিল

সংগ্রহীত

হুইপ শামসুল হক ও পুত্র শারুনের বিরুদ্ধে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে মুক্তিযোদ্ধা-জনতার মিছিল

হুইপ শামসুল হক চৌধুরী ও পুত্র শারুন ও হুইপের ভাই নবাব চৌধুরীর বিরুদ্ধে পুলিশি বাধা সত্ত্বেও মিছিল সমাবেশ করেছে মুক্তিযোদ্ধা ও জনতা। জনতার এই প্রতিবাদ মিছিলে উত্তাল হয়েছে চট্টগ্রাম। 

চট্টগ্রামের মুক্তিযোদ্ধা শামসুদ্দিন আহমদকে হুমকি প্রদানসহ নানা অভিযোগে হুইপসহ তার পরিবারের এই সদস্যদের শাস্তির দাবিতে পূর্বঘোষিত এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেসক্লাবের সামনে মুক্তিযোদ্ধা সম্মান রক্ষা পরিষদের ডাকা পূর্বঘোষিত কর্মসূচির বিকেল তিনটায় হওয়ার কথা ছিল এর আগেই আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ চৌধুরীর পুত্র জসিম উদ্দিন চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়।

চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন বলেন, ‘একই সময়ে একই স্থানে দুই পক্ষ সমাবেশ ডাকে। শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্ন হবার আশঙ্কায় কোনো পক্ষকেই সমাবেশ করতে দেয়া হবে না।’ 

এদিকে পৌনে ৩টা নাগাদ বিক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধা-জনতা প্রেসক্লাবের সামনে পুলিশি বাধায় জড়ো হতে না পেরে নিকটস্থ চেরাগী পাহাড় থেকে ডিসি হিল পর্যন্ত সড়কে অবস্থান নেন এবং ডিসি হিল থেকে একটি মিছিল সহকারে শত শত মুক্তিযোদ্ধা ও জনতা প্রেসক্লাব অভিমুখে রওনা দেন।  প্রতিমধ্যে চেরাগী পাহাড় এর সামনে এসে পুলিশি বাধায় পড়েন তারা। পরে মিছিল সহকারে ডিসি হিল অভিমুখে ফের রওনা দেন। সেখানে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।  

মিছিল থেকে হুইপের হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর কাছে ‘জাতীয় পতাকা নিরাপদ নয়’ বলে শ্লোগান উচ্চারিত হয় এবং হুইপ পুত্র শারুন চৌধুরী ও হুইপের ভাই নবাব চৌধুরীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা অবমাননার অভিযোগ তুলে তাদের বিচার চেয়ে মুহুর্মুহু স্লোগান দেয়া হয়। 

এদিকে বিক্ষুব্ধ জনতার আরেকটি অংশ মিছিল সহকারে চট্টগ্রাম ওয়াসার সম্মুখে জড়ো হন এবং নিকটস্থ মরহুম জননেতা জহুর আহমদ চৌধুরী বাসভবনের সামনে পল্টন রোডে তারা পথসভা করেন। বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

মিছিল ও এইসব সভা সভা-সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্মান সংরক্ষণ পরিষদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবু তৈয়ব ও  মহাসচিব মরহুম জননেতা জহুর আহম্মদ চৌধুরীরপুত্র জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী মাহবুবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজ আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ আজীজ এর সন্তান ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ এর সদস্য সাইফুদ্দীন খালেদ বাহার, সাবেক ছাত্রনেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নওশাদ মাহমুদ চৌধুরী রানা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আইন বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গ এর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, ব্যারিস্টার শওগত আনোয়ার খান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গ এর মহাসচিব  উত্তম কুমার বড়ুয়া, ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ আলম,  অর্থ  সম্পাদক সওকত মাসুম, দপ্তর সম্পাদক মো. মনজু, মো.  নাসির খান, উজ্জ্বল  চৌধুরী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গ চট্টগ্রাম  মহানগরের সভাপতি নওশাদ সেলিম, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গ চট্টগ্রাম মহানগর এর সহ সভাপতি  ও  বীর  মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে চৈতী বসু, চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তি যোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়  ছাত্রলীগের সাবেক সহ -সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা (বীর উওম খেতাব) প্রাপ্ত এর সন্তান সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম রসুল নিশান ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গ চট্টগ্রাম মহানগর এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল উদ্দিন,  মহানগর এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূর হোসেন দুলাল, ৬ দফা আন্দোলনের সাথে যুক্ত থাকার কারণে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাক-হানাদার বাহিনী কর্তৃক ৬ টুকরো করা সাবেক চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা দানেশ চন্দ্র দেব নাথ এর ছোট ভাই বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গ চট্টগ্রাম মহানগর এর  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরেশ চন্দ্র দেবনাথ , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক  দিদার প্রদান,  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়সাল ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গ চট্টগ্রাম মহানগর ও  থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ যথাক্রমে  মো. ওসমান গনি, গাজী শোহেন, বাবলু মিয়া, মো. আবাস, আমিনুল, মো. গোলাম নবী, মো. ওসমান গনি, মো. হাবিবুর রহমান, পিমলু, নাঈম উদদীন,আবু তাহের রিপন, জয়নাল আবেদীন, মো. বাহার  প্রমুখ।