হেফাজতকে নিষিদ্ধের দাবি করল বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট

সংগ্রহীত

হেফাজতকে নিষিদ্ধের দাবি করল বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট

দেশব্যাপী নৈরাজ্য সৃষ্টি ও জঙ্গিবাদের অভিযোগ এনে হেফাজতে ইসলাম নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট। একই সঙ্গে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনে ট্রাইব্যুনালে তাদের বিচারসহ ৭ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি জানায় সংগঠনটি।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশব্যাপী নাশকতায় জড়িয়ে পড়ে হেফাজতে ইসলাম। এরপর মামুনুলকাণ্ডসহ একের পর এক নানা বিতর্কের জন্ম দেয় দলটি। অবশেষে সমালোচনার মুখে ২৬ এপ্রিল কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বাবুনগরীকে প্রধান করে গঠন করা হয় আহ্বায়ক কমিটি। এমন বাস্তবতায় বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের প্রেসক্লাবের হেফাজতের নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

এ সময় হেফাজতে ইসলামকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব স. ম আবদু সামাদ।

তিনি বলেন, নৈতিক স্খলন জঙ্গিবাদে কর্মকাণ্ডে যুক্ত হেফাজতকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে। তাদের কমিটি বিলুপ্ত বা নতুন করে কমিটি করে ইতোপূর্বে সংগঠিত জঙ্গিবাদ অপরাধকে মার্জনা করা যাবে না।   

আর ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থাকে একই স্রোতে আনার পাশাপাশি কওমি সনদ বাতিলের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ ইসলামি ফ্রন্টের মহাসচিব মাওলানা এম এ মতিন জঙ্গিবাদের অভিযোগও তোলেন হেফাজতের বিরুদ্ধে।

তিনি বলেন, এ দেশের মধ্যে একটা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হতে পারে, মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি হতে পারে, যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ কারণে আমরা মনে করছি, একটা দেশের মধ্যে দুই ধরনের ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থা থাকতে পারে না।     

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান এম এ মান্নান বলেন, এই কওমিরা এই হেফাজতিরা দেশে ব্যাঙের ছাতার মতো দেশে কওমি মাদ্রাসা তৈরি করে। তারা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে।   

২০১০ সালে হেফাজতে ইসলাম গঠন করে আলোচনায় আসে আল্লামা আহমদ শফী। গত বছর সেপ্টেম্বরে তার মৃত্যুর পর দায়িত্ব নেন জুনায়েদ বাবুনগরী।