১৫৬ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণে বেঁচে গেল ১৪৩ কোটি টাকা

সংগ্রহীত

১৫৬ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণে বেঁচে গেল ১৪৩ কোটি টাকা

১৫৬টি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণে বেঁচে গেল ১৪৩ কোটি টাকা। দেশের গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা সদরে ১৫৬টি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে।সর্বশেষ প্রকল্পের মোট ব্যয় ছিল ১ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা। এখন এই প্রকল্পের ব্যয় কমে দাঁড়াচ্ছে ১ হাজার ১১৫ কোটি টাকায়।

৮ বিভাগের ৫৮টি জেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ কাজ চলমান। ২০১২ সালের জুলাই থেকে চলমান প্রকল্পটি ২০২১ সলের জুনে শেষ হবে। নানা কারণে প্রকল্পের ব্যয় কমছে।  প্রকল্পের আওতায় ১৫৬টি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের মধ্যে ১৫৪টির জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এ খাতে ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। জমি অধিগ্রহণ ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করা স্টেশনের মধ্যে ১০টি এবং জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন দুটিসহ ১২টির পূর্ত কাজ সম্ভব নয়। বিধায় এ কাজ অন্য প্রকল্পে স্থানান্তর করা হবে। ভুরুঙ্গামারির ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের জমি পাওয়া যায়নি।  

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের উপপরিচালক (পরিকল্পনা কোষ) মোহাম্মদ আলী বাংলানিউজকে বলেন, প্রকল্পের কাজ দ্রুত সামাপ্ত হবে। প্রকল্পের সংশোধন করা হচ্ছে। ফলে ব্যয় কমছে।

নানা কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ নিশ্চিত করা, দেশের সকল এলাকায় মানুষের নিকট সেবা পৌঁছে দেওয়া। অগ্নি দুর্ঘটনা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা।

প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম হচ্ছে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ঘন মিটার ভূমি উন্নয়ন, ৫৩ একর ভূমি অধিগ্রহণ, ৯৭ হাজার বর্গ মিটার পূর্ত কাজ করা। ১৫৬টি ফায়ার স্টেশনের আসবাবপত্র, ১৪৪টি ফায়ার স্টেশনের তৈজসপত্র, প্রকল্প পরিচালকের দপ্তরের আসবাবপত্র কেনা। প্রকল্পের আওতায় ইনস্পেকশন জিপ দুটি, মোটরযান ২টি, ফায়ার ফাইটিং ইকুইপমেন্টস ২ লাখ ৪৪ হাজারটি, ফায়ার ফাইটিং এক্সেসরিজ কেনা হবে ৭ হাজার ৭৩২টি। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় ১৫৬ সেট বেতার সরঞ্জাম ও ১৪৫টি বেতার টাওয়ার নির্মাণ করা হবে।