১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন মেরিন ড্রাইভের সমীক্ষা শেষ পর্যায়ে

মেরিন ড্রাইভের গ্রাফিক্স সংগ্রহীত

১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন মেরিন ড্রাইভের সমীক্ষা শেষ পর্যায়ে

শেষ হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভের সমীক্ষা। কয়েক মাসের মধ্যে তৈরি হবে ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রামের মীরসরাই থেকে পর্যটন শহর কক্সবাজার পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভের নকশা। সমুদ্রের পাড় ঘেঁষে এই মেরিনড্রাইভ নির্মাণ হলে চট্টগ্রামের মূল শহরে প্রবেশ না করেই টানেল দিয়েই যাবে কক্সবাজার, পটিয়া, আনোয়ারা-বাঁশখালীর দ্রুত যান। কমবে দূরত্ব, বাঁচবে সময়।

বিশিষ্টজনরা বলছেন, শহরের যানজট নিরসনের পাশাপাশি এই মেরিনড্রাইভ সড়ক যোগাযোগ ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পর্যটন শহর কক্সবাজারের সাথে যোগাযোগ সহজ করতে চট্টগ্রামের মীরসরাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নির্মাণ হচ্ছে মেরিনড্রাইভ। ১৭০ কিলোমিটার ফোর লেনের এই মেরিন ড্রাইভ যুক্ত হবে টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিনড্রাইভের সাথে। এতে মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াচ্ছে ২৫০ কিলোমিটার।

বিশ্বের দীর্ঘতম এই মেরিন ড্রাইভ নির্মাণে অস্ট্রেলিয়ার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এসএমইটি ইন্টারন্যাশনাল প্রায় এক বছর ধরে সমীক্ষা পরিচালনা করছে বলে জানিয়েছেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম শহরে না ঢুকেই মেরিন ড্রাইভ দিয়ে টানেল হয়ে অল্প সময়েই যাওয়া যাবে কক্সবাজার। নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আশিক ইমরান বলছেন, এই মেরিন ড্রাইভ নির্মাণের ফলে খুলবে অর্থনীতির নতুন দুয়ার, কমবে যানজটও।

আর আরেক নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী শহীদুল আলম বলছেন, শুধু এই ১৭০ কিলোমিটার নয় এর সাথে যুক্ত হচ্ছে টানেল ও টেকনাফ-কক্সবাজার মেরিনড্রাইভ। ফলে চট্টগ্রামের যানজট অনেক কমে আসবে।

উন্নয়নের সুফল পেতে টেকসই সড়ক নির্মাণের দাবি সুজন সম্পাদক এ্যাডভোকেট আখতার কবিরের। তিনি বলছেন, সমুদ্রের পাড়ে যেহেতু তাই মানসম্পন্ন হতে হবে। না হলে প্রতিবছর রাস্তা ভাঙবে সেটা প্রতিবছর ঠিক করতে হবে। এতে ব্যয় হবে বিপুল অর্থ।

পৃথিবীর দীর্ঘতম এই মেরিনড্রাইভ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা।